Loading...

৫১ দফা দিক-নির্দেশনা

পরিচিতিকাজের গুণগত মান রক্ষাদরপত্র আহবান ও চুক্তি ব্যবস্থাপনাপ্রশাসনঅন্যান্যউপসংহারঅভিযোগ ও মতামত




জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান



গ্রামের দিকে নজর দিতে হবে। কেননা গ্রামই সব উন্নয়নের মূলকেন্দ্র। গ্রামের উন্নয়ন আর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি যখন বেগবান হবে তখন গোটা বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সম্মুখে।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা



গ্রামীণ অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য এসেছে। কৃষিজ ও অকৃষিজ উভয় ক্ষেত্রে কর্মকাণ্ড বহুগুণ সম্প্রসারিত হয়েছে। বর্তমান সরকার কৃষিক্ষেত্রে অসামান্য গুরুত্ব প্রদানের পাশাপাশি কৃষিখাত, গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ, গ্রামীণ পরিবহন ও যোগাযোগ এবং গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের জন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে চলেছে।


মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের ৫১ দফা দিক-নির্দেশনার পটভূমি



সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে এলজিইডির অনুক‚লে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই অর্থ ব্যবহার করে দেশের পল্লি ও নগর এলাকায় সড়ক যোগাযোগ, আর্থসামাজিক এবং অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। একই সঙ্গে দেশের খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়ে থাকে। রাজস্ব বাজেটের আওতায় প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ পায় এলজিইডি। এই অর্থ ব্যবহৃত হয় গ্রামীণ সড়ক ও সেতু রক্ষণাবক্ষণে। নিজস্ব এসব কাজ ছাড়াও এলজিইডি প্রতিবছর অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় যে সব অবকাঠামো নির্মাণ করে তার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতিবছর এলজিইডি সারাদেশে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকার অবকাঠামো নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করছে। টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত গুণগতমান সম্পন্ন অবকাঠামো নির্মাণ। নির্মাণ পর্যায়ে কাজের গুণগতমান বজায় রাখতে পারলে টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি অবকাঠামোর রক্ষণাবক্ষণ খরচও কমে আসে, যা সামগ্রিকভাবে দেশীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। কাজের গুণগতমান বজায় রাখতে প্রতিবছর এলজিইডির প্রকৌশলী এবং নির্মাণ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সম্প্রতি নির্মাণ শ্রমিকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। কাজের গুণগতমান রক্ষায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পাদনের জন্য দেশের সকল জেলায় রয়েছে এলজিইডির নিজস্ব মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরি। কাজে ব্যবহারের পূর্বে সাইটে মজুদকৃত নির্মাণ সামগ্রীর মান এলজিইডির নিজস্ব পরীক্ষাগারে এবং যে সকল পরীক্ষা করার সুবিধা এলজিইডির ল্যাবরেটরিতে বিদ্যমান নাই তা বিভিন্ন কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্পাদন করা হয়। একই সঙ্গে নির্মাণকালীন অন্যান্য আনুষঙ্গিক পরীক্ষা করা হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ, যথাযথ নিয়ম মেনে নির্মাণ কাজ সম্পাদন, কাজের গুণগতমান রক্ষা, দরপত্র আহবান ও চুক্তি ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক বিষয়ে একাধিক ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে সারাদেশে মাঠপর্যায়ে কর্মরত এলজিইডির সর্বস্তরের প্রকৌশলীকে বেশ কিছু দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।